১০ মার্চ, ২০২৬
প্রিয় দ্বীপ,
কেমন আছিস? জানি, তোর কাছে এই প্রশ্নটা খুব আজব লাগে। তাও বললাম 😁। তবুও আজ খুব ইচ্ছে হলো তোর সাথে কিছুটা সময় কাটাতে, অন্তত এই চিঠির মাধ্যমে 💌।তুই তো লেখক মানুষ, শব্দের জাদুতে কত আবেগ ফুটিয়ে তুলিস। আর আমি তোর সেই সাধারণ বন্ধুটি যে ঠিকঠাক গুছিয়ে একটা কথাই বলতে পারে না (সুধু একটু প্রশংশা করতে পারি আরকি 🥲)। আজ অনেকদিন পর স্মৃতির পাতা উল্টাতে গিয়ে আমাদের সেই কলেজ জীবনের দিনগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠল। বিশ্বাস কর, ওই দিনগুলো আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল। প্রতিদিন একসাথে কলেজে যাওয়া, ক্লাসের সেই শেষ বেঞ্চে পাশাপাশি বসে থাকা, আর তোর সেই অদম্য আড্ডা, সবকিছু আজও ভীষণ মনে পড়ে।আমি জানি, আজকাল কাজের চাপে আমি তোকে একদম সময় দিতে পারি না। হয়তো তোর মনে অনেক অভিমান জমে আছে। তুই তো সবসময় অনেক যত্নশীল আর হেল্পফুল ছিলি, আমার বিপদে সবার আগে তোকেই পাশে পেয়েছি। তাই আমার এই নীরবতা হয়তো তোকে কষ্ট দেয়। তোর সেই অভিমান করার অধিকার আছে, আর আমার আছে তোকে 'সরি' বলার দায়বদ্ধতা (কিন্তু এটা তো আবার বলা যাবে না 🥲)।ব্যস্ততা আমাদের হয়তো আমাদের দেখা করায় বিঘ্ন ঘটাতে পেরেছে, কিন্তু তোর জন্য আমার হৃদয়ে যে জায়গাটা ছিল, সেটা আজও একই রকম আছে। তোর লেখা কবিতা যখনই পড়ি, গর্বে আমার বুক ভরে যায়। তোর নোটপ্যাড এর পরিধি যেন এভাবেই বাড়তে থাকে।খুব শীঘ্রই সময় বের করে দেখা করব আমরা। আবার আগের মতো পাশাপাশি বসে আড্ডা দেব। তত দিন ভালো থাকিস, আর তোর সৃজনশীলতার আলোয় আমাদের চারপাশটা ভরিয়ে রাখিস।আর হ্যাঁ, আসল কথা তা বলতেই তো ভুলে গেলাম। কি মনভুলো স্বভাবের আমি! বইমেলা তো চলছে। কবিদের কাছে এটা তো স্বর্গের থেকে কম নয়। আমার প্রিয়তমা বউটাও বায়না ধরেছে। ভাবলাম সবাই মিলে একবার ঘুরেই আসি (বাট ওর সাথে বেশি কথা বলা লাগবে না 😒)।
তোমার মঙ্গল কামনায়,
অর্ঘ্য